আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এখন হাতের মুঠোয়
বাংলাদেশের সেরা প্যারামেডিকেল কোর্স: গ্রিনপিস ইনস্টিটিউটের প্যারামেডিকেল কোর্সে ভর্তি হোন, গড়ুন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ!

আপনি কি স্বাস্থ্যখাতে ক্যারিয়ার গড়তে চান? গ্রিনপিস ইনস্টিটিউট নিয়ে এসেছে বাংলাদেশের সেরা প্যারামেডিকেল কোর্স, যা আপনাকে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী পেশাজীবী হিসেবে তৈরি করবে। আমাদের ৬ মাস মেয়াদী কোর্সে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও তাত্ত্বিক জ্ঞানের সমন্বয় রয়েছে। SSC বা সমমান পাশ করলেই ভর্তি হতে পারবেন। কোর্স শেষে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, এনজিও ও ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে কাজের সুযোগ থাকছে। এছাড়াও, আপনি চাইলে নিজস্ব চেম্বার বা ক্লিনিক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। গ্রিনপিস ইনস্টিটিউটের এই প্রশিক্ষণ শুধু চাকরির জন্য নয়, বরং একজন স্বাস্থ্য উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতেও সহায়ক। আজই যোগাযোগ করুন এবং আপনার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন এই গুণগতমানের শিক্ষার মাধ্যমে।
প্যারামেডিকেল কোর্স এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার মৌলিক জ্ঞান এবং প্রায়োগিক দক্ষতা প্রদান করা, যাতে তারা এই পেশায় সফল হতে পারে।
- শিক্ষার্থীদের এমনভাবে তৈরি করা যাতে তারা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আত্মবিশ্বাসী এবং দক্ষ প্যারামেডিক হিসেবে কাজ করতে পারে।
- হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও তত্ত্বীয় শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা।
- কোর্স শেষে শিক্ষার্থীরা যাতে সাধারণ রোগের চিকিৎসা করতে পারে এবং রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান লাভ করতে পারে, সেই সক্ষমতা তৈরি করা।
- শিক্ষার্থীদের দ্রুত কর্মজীবনে যোগ দিতে এবং স্বাস্থ্যখাতে একটি উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়তে উৎসাহিত করা।
- বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা, যেমন - হাসপাতাল, ক্লিনিক, এনজিও, এবং ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে কাজের সুযোগ তৈরি করা, এবং নিজস্ব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদান করা।

কোর্স শেষে আপনি যা যা করতে পারবেন:
- কমন রোগের চিকিৎসা: সাধারণ জ্বর, সর্দি, কাশি, পেটের পীড়া সহ বিভিন্ন সাধারণ রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে পারবেন।
- রোগের কারণ, লক্ষণ ও টেস্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা: বিভিন্ন রোগের কারণ, লক্ষণ এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করবেন।
- শারীরিক তাপমাত্রা (জ্বর) মাপা: সঠিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করতে পারবেন।
- ইনজেকশন পুশিং: নিরাপদে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইনজেকশন প্রয়োগ করার কৌশল শিখবেন।
- স্যালাইন পুশিং: রোগীর শরীরে স্যালাইন সঠিকভাবে দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবেন।
- কাটা জায়গা সেলাই: ছোটখাটো কাটা বা ক্ষতস্থান প্রাথমিক সেলাই করার দক্ষতা অর্জন করবেন।
- ব্যান্ডেজ: বিভিন্ন ধরনের আঘাতের জন্য সঠিক ব্যান্ডেজ করার নিয়মাবলী জানতে পারবেন।
- ড্রেসিং: ক্ষতস্থানের সঠিক ড্রেসিং এবং পরিচর্যা করার পদ্ধতি শিখবেন।
- ভ্যাকসিন দেয়া: বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধে টিকা দেওয়ার নিয়ম ও পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত হবেন।
- ডায়াবেটিস পরীক্ষা: রক্তে শর্করার পরিমাণ নির্ণয় করার কৌশল আয়ত্ত করবেন।
- রক্তচাপ মাপা: সঠিকভাবে রক্তচাপ পরিমাপ করার পদ্ধতি শিখবেন।
- রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা: রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করার প্রাথমিক জ্ঞান লাভ করবেন।
- ইনসুলিন দেয়া: ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন দেওয়ার সঠিক নিয়মাবলী জানতে পারবেন।
- নেবুলাইজার দেয়া: শ্বাসকষ্টের রোগীদের নেবুলাইজার ব্যবহারের পদ্ধতি শিখবেন।
- পাল্স অক্সিমিটারের ব্যবহার: রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন মাত্রা পরিমাপ করার কৌশল জানবেন।
বাংলাদেশের সেরা প্যারামেডিকেল কোর্সটি কাদের জন্য:
- যারা দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশ করতে চান।
- যারা স্বাস্থ্যখাতে ক্যারিয়ার গড়তে চান।
- যারা মানুষের সেবা করার মানসিকতা রাখেন।
- যারা পল্লী অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চান।
- যারা নিজস্ব ক্লিনিক বা ফার্মেসি ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী।
- যারা স্বাস্থ্যসেবার প্রতি আগ্রহী এবং মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে চান।
কোর্সটি করে কোথায় কোথায় কাজ করতে পারবেন:
- অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও এনজিওতে নার্স / স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে কাজের সুযোগ: দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় (এনজিও) আপনি সম্মানজনক পদে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
- ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ (MR) হিসাবে কাজের সুযোগ: বিভিন্ন ঔষধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিতে আপনি মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে যোগদান করতে পারবেন।
- নিজস্ব ক্লিনিক বা চেম্বার পরিচালনার দক্ষতা অর্জন: আমাদের কোর্স আপনাকে নিজস্ব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা চেম্বার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদান করবে।
- বিভিন্ন এনজিও এবং স্বাস্থ্য সংস্থায় কাজ করার সুযোগ: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এনজিও এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থায় কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
- ফার্মেসী দিয়ে ঔষধের ব্যবসা করতে পারবেন: ঔষধের খুচরা ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক জ্ঞান লাভ করবেন।
- পল্লী চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতে পারবেন: গ্রামীণ অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
কোর্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ফান্ডামেন্টাল মেডিকেল শিক্ষা: মানবদেহ, বিভিন্ন রোগ এবং তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট মৌলিক জ্ঞান প্রদান করা হয়।
- প্রাকটিক্যাল ও ক্লিনিক্যাল ট্রেনিং: অভিজ্ঞ ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তত্ত্বাবধানে হাসপাতাল ও ক্লিনিক ভিত্তিক হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ।
- ইমার্জেন্সি মেডিকেল কেয়ার: আকস্মিক অসুস্থতা ও জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদানের প্রশিক্ষণ।
- মেডিকেল ইকুইপমেন্ট পরিচালনা: বিভিন্ন অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সঠিকভাবে ব্যবহার ও পরিচালনার শিক্ষা।
- কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট: রোগীদের সাথে সহানুভূতিশীল এবং পেশাদার আচরণ করার দক্ষতা বৃদ্ধি।
- সনদপত্র ও জব গাইডেন্স: কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর সরকার স্বীকৃত সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং কর্মজীবনে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহায়তা করা হয়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাসিক আয়:
প্যারামেডিকেল সেক্টরে একজন দক্ষ কর্মীর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই পেশায় আকর্ষণীয় মাসিক আয় করার সুযোগ রয়েছে। শুরুতে ১৫,০০০ টাকা থেকে শুরু করে অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনার আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে নিজস্ব ক্লিনিক বা ফার্মেসি ব্যবসার মাধ্যমে আরও বেশি আয়ের সম্ভাবনা থাকে।
কেন আমাদের কোর্সটি সেরা?
- অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশিক্ষক: আমাদের প্রশিক্ষকগণ স্ব স্ব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ এবং শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদানে আন্তরিক।
- আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি: আমরা থিওরির পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণের উপর জোর দেই।
- ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ: বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ।
- সহায়ক শিক্ষাপরিবেশ: শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।
- সাশ্রয়ী কোর্স ফি: আমরা সকলের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে গুণগত শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর।
- ক্যারিয়ার গাইডেন্স: কোর্স শেষে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত কর্মসংস্থান খুঁজে পেতে সহায়তা করা হয়।

কোর্স করতে যা যা প্রয়োজন:
• ন্যূনতম GPA ২.৫।
• এসএসসি / সমমান পাশ যেকোনো ছাত্র-ছাত্রী।
বাংলাদেশের সেরা প্যারামেডিকেল কোর্স এর ফিঃ
- এই গুণগত মানসম্পন্ন প্যারামেডিকেল কোর্সের ভর্তি ফি মাত্র ৬০০০ টাকা। অবশিষ্ট কোর্স ফি আপনি আলোচনা সাপেক্ষে ধাপে ধাপে পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন। আমরা বিশ্বাস করি, অর্থের অভাবে যেন কারো শিক্ষা থেমে না থাকে।
কোর্স সময়কাল:
- আমাদের প্যারামেডিকেল কোর্সের সময়কাল ৬ মাস। এই সময়ের মধ্যে আপনি প্রয়োজনীয় সকল তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।
কোর্স সার্টিফিকেট:
- হ্যাঁ, কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আপনাকে সরকার স্বীকৃত সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। এই সার্টিফিকেট আপনার কর্মজীবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
আমাদের বিশেষ সুবিধা সমূহ:
- আধুনিক ক্লাসরুমের সুবিধা।
- ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য অত্যাধুনিক ল্যাব।
- অভিজ্ঞ ও আন্তরিক শিক্ষক মন্ডলী।
- সহজ ও বোধগম্য শিক্ষাদান পদ্ধতি।
- বন্ধুত্বপূর্ণ শিক্ষণ পরিবেশ।
- সহজ কিস্তিতে ফি পরিশোধের সুযোগ।
- কোর্স শেষে চাকরির সহায়তা।
আমাদের বিশেষ মূল্য ছাড়ের সময় রয়েছে মাত্র
Countdown Expired!











